ঢাকা    ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ



বিশৃঙ্খলাকারীদের আগাম গ্রেপ্তারের নির্দেশ সিইসির

প্রকাশিত: ৮:৫৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০২১

বিশৃঙ্খলাকারীদের আগাম গ্রেপ্তারের নির্দেশ সিইসির

নজর২৪, ঢাকা- প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরের ধাপগুলোতে সহিংসতা রোধে ‘আপ্রাণ চেষ্টা’ করবেন তারা।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে বিশৃঙ্খলাকারীদের আগাম গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

বুধবার (২৪ নভেম্বর) ঢাকার নির্বাচন ভবনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।

 

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মাস্তানদের আগাম গ্রেপ্তার করতে নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এলাকার মাস্তান যারা বিশৃঙ্খলা করতে পারে তাদের আগাম গ্রেপ্তারের জন্য ইন্সট্রাকশন দিয়েছি। আগামী নির্বাচনগুলোয় সহিংসতা রোধে অপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। তবে, একটাও সহিংস ঘটনা হবে না, মারামারি হবে না এমন নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি না। আমরা চেষ্টা করবো এগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।’

 

সিইসি বলেন, “সহিংসতা ঘটতে পারে এমন পকেটগুলো চিহ্নিত করে আগাম গোয়েন্দা তথ্য নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে নজরদারি বাড়ানো ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।”

 

নূরুল হুদা বলেন, ‘যেসব রাজনীতিবিদ যারা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে নির্বাচনকালীন কর্মকাণ্ড চালাতে পারেন না যেমন এমপি-মন্ত্রীরা, তারা নির্বাচনের সময় কখনই এলাকায় থাকতে পারবেন না। এ বিষয়ে নির্বাচন সচিবালয় থেকে একটি জেনারেল সার্কুলার দেয়া হয়েছে। আজকেও সভায় আলোচনা হয়েছে, তারা নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেন না।

 

‘কোনভাবে আচরণবিধি লংঘন করতে পারবেন না। আচরণবিধি প্রতিপালনে ম্যাজিস্ট্রেট যেন তৎপর থাকেন, তারা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেন, সে নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। অলরেডি গত নির্বাচনের সময় অনেককে ফাইন করা হয়েছে, অনেককে হাজতে দিয়েছেন। কিছু কিছু অফিসার এমপিদের চিঠিও দিয়েছেন, সে অনুযায়ী তারা এলাকা ত্যাগ করেছেন। কোন এমপি যদি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এলাকা ছেড়ে চলে না যান, তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। মামলা পর্যন্ত করা হয়েছিল। এখনও প্রয়োজন হলে তা করা হবে।’

 

তবে এমপি-মন্ত্রীদের অধিকাংশই নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলেন। তবে দু’চার জন মানছেন না বলে অভিযোগ এসেছে বলে জানান সিইসি।