ঢাকা    ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ



চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস

প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ৯, ২০২১

চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস

নজর২৪ ডেস্ক- সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানের একটি আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

 

২ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি ইতিমধ্যে গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। তাতে নিজের শরীরের গোপন অংশ প্রদর্শন করতে দেখা গেছে সোহানকে। এ সময় সম্পূর্ণ বস্ত্রহীন ছিলেন তিনি। তাকে কথা বলতেও দেখা গেছে। তবে অপর প্রান্তে কে ছিলেন তা নিশ্চিত করা যায়নি।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুধবার (৯ মে) রাত ১০টার দিকে নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান বেসরকারি একটি টেলিভিশনকে বলেন, ‘আমি আমার ব্যক্তিগত ডাক্তারের সাথে ভিডিও কলে কথা বলছিলাম। কে বা কারা এটি ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে।

 

আমাদের পরিচালক সমিতির নির্বাচনের সময় কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজটি করেছে। এটি একেবারেই আমার ব্যক্তিগত ভিডিও। আমার সম্মানহানি করার জন্য কেউ এটি করেছে।

 

বিষয়টি নিয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন সোহান নিজেই। ৩১ মার্চ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। যার নম্বর ১৪৭৯।

 

জিডিতে নির্মাতা সোহান উল্লেখ করেন, ৩০ মার্চ আনুমানিক বিকেল ৩টায় তার হোয়াটস্যাপ হ্যাক করা হয়। এসময় তার কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করে। এতে তার সুনাম ও সম্মান প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

পরিচালক শিবলি সাদিকের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে কর্মজীবন শুরু করেন সোহানুর রহমান সোহান। ১৯৮৮ সালে ‘বিশ্বাস অবিশ্বাস’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন তিনি। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘স্বজন’, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’ ইত্যাদি।

 

বর্তমানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতির পদে দায়িত্ব পালন করছেন সোহান।

 

আরও পড়ুন-

 

‘লজ্জায়’ মনোনয়ন চাইতেই পারলেন না ডিপজল! দ্রুত ধানমন্ডি ছাড়লেন মিশা-জায়েদরা

 

বিনোদন ডেস্ক- একঝাঁক চলচ্চিত্র তারকা ও কর্মী-সমর্থকের বহর নিয়ে ঢাকা-১৪ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনতে গিয়েছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। কিন্তু বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে ফরম না কিনেই ফিরে আসেন তিনি।

 

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কোনো পর্যায়ের প্রাথমিক সদস্য নন ডিপজল। তাই শর্ত পূরণ না হওয়ায় তার কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেনি আওয়ামী লীগ। সেখানে এ বিষয়টিও আলোচনায় আসে যে ডিপজল বিএনপি সমর্থিত সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

 

 

ঘটনা সম্পর্কে জানা গেছে, ডিপজলের আগে মনোনয়ন কিনতে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হাজির হন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এখলাস উদ্দিন মোল্লাহ। তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। কারণ তিনি আওয়ামী লীগের কোনো পর্যায়ের প্রাথমিক সদস্যপদ দেখাতে পারেননি।

 

তার অবস্থা সামনে থেকে অবলোকন করে ‘লজ্জায়’ মনোনয়ন ফরম না চেয়েই ফিরে যান চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। কারণ তারও কোনো প্রাথমিক সদস্য পদ নেই আওয়ামী লীগে।

 

গতকাল (৮ জুন) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঘটে এ ঘটনা। সেখানে ঢাকা-১৪ আসনে উপনির্বাচনের মনোনয়ন ফরম কিনতে যান ডিপজল।

 

কিন্তু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কেনার যোগ্যতা না থাকায় নিরাশ হয়ে কার্যালয় ছাড়তে বাধ্য হন ডিপজল ও তার সমর্থকরা। তার সঙ্গে থাকা চলচ্চিত্র তারকা ও সমর্থক সবাই হতাশ হয়ে ডিপজলের সঙ্গে দ্রুত আওয়ামী লীগ কার্যালয় ত্যাগ করেন।

 

এসময় ডিপজলের সঙ্গে ছিলেন জায়েদ খান, মিশা সওদাগর, রুবেল, রোজিনা, অঞ্জনা, দিলারা, নৃত্যশিল্পী মাসুম বাবুলসহ একঝাঁক চলচ্চিত্র শিল্পী। তাদের মধ্যে অনেকেই আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক হিসেবে পরিচিত। কেউ কেউ দায়িত্ব পালন করছেন আওয়ামী লীগের কিছু অঙ্গ সংগঠনে।

 

ঘটনাটি আওয়ামী লীগে বেশ চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। হাস্যরসের পরিবেশ তৈরি করেছে এফডিসি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

 

প্রসঙ্গত, মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও এখলাস উদ্দিন মোল্লাহ দুজনই আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

 

জানা যায়, মনোয়ার হোসেন ডিপজল বিএনপির সমর্থনে ১৯৯৪ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বিএনপির এই নেতা ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে নৌকার প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরমও কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু মনোনয়ন পাননি। ডিপজল বর্তমানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।