Home প্রধান খবর অনেক কথা বলার বাকি, এত চুপ থাকা যায় না: পরীমণি

অনেক কথা বলার বাকি, এত চুপ থাকা যায় না: পরীমণি

0
92

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ ও চিত্রনায়িকা পরীমণিকে নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক লম্বা সময় ধরেই চলছে। এই দুই তারকার বিয়ের পর থেকেই একাধিকবার সংসার ভাঙনের খবর ছড়িয়েছে। যদিও সে সকল খবরের আনুষ্ঠানিকতা মেলেনি কখনো।

তবে বুধবার সকালেই জানা গেল, শরিফুল রাজকে তালাকের আবেদন (ডিভোর্স লেটার) পাঠিয়েছেন পরীমণি। এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে অভিনেতা স্বামীকে নিয়ে ফেসবুকে এক বিস্ফোরক স্ট্যাটাস দেন পরী।

যেখানে অভিনেত্রী দাবি করেন, শরিফুল রাজ তার পাতানো এক বোনকে নিয়ে পরীমণির গায়ে হাত তুলেছেন। শুধু তাই নয়, রাজ কোনো ‘সুগার মামি’র সঙ্গে থাকেন কি না সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

পরী সেই স্ট্যাটাস লিখেছেন, ধরেন এই কাজটা আমি যদি করতাম। একজনকে ভাই পরিচয় দিয়ে তার বাসায় যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে মাসের পর মাস পার করে দিতাম—কী বলতেন আমাকে তখন? আজ আমাকে রাজ এবং তার পাতানো বোন মিলে গায়ে হাত তুলেছে। তার জবাব মিডিয়া দিতে পারবেন তো?’

পরীমণি আরও লেখেন, ‘রাজ কার সঙ্গে থাকে? সুগার মামি নাকি কোনো অনৈতিক ব্যবসায়িক চক্র? কি চলে মহানগর প্রোজেক্টে তাদের ওই বাসা নামক অপকর্মের আস্থানায়? প্রশাসন, মিডিয়া যারা আছেন বের করেন এবার! অনেক কথা বলার বাকি! এত চুপ থাকা যায় না।’

যদিও স্বামীর বিরুদ্ধে দেওয়া সেই স্ট্যাটাসটি কিছুক্ষন পরই সরিয়ে ফেলেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু ততক্ষনে সেই পোস্টটির স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ঠিক এই ঘটনার পরদিনই জানা গেল পরীমণি-শরিফুল রাজের বিচ্ছেদের খবর। এ বিষয়ে অভিনেত্রীর আইনজীবীও জানিয়েছেন, রাজের আচরণে অতিষ্ঠ হয়েই তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন পরীমণি।

আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘নারী আসক্তি রয়েছে রাজের। হাতে নাতে ধরাও পড়েছেন তিনি কয়েকবার। এসব আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে ডিভোর্স ফাইল করেছেন পরীমণি। মুসলিম আইন অনুযায়ী তিন মাস পর এই ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাবে।’

ডিভোর্স লেটারের বিষয়ে কিছুই জানতেন না অভিনেতা শরীফুল রাজ। সকালে ঘুম থেকে উঠে গণমাধ্যম থেকে ডিভোর্স লেটার পাঠানোর বিষয়ে জানতে পারেন তিনি। শরীফুল রাজ বলেন, তাই নাকি? আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। এ অভিনেতা আরও বলেন, ভাই আমি মাত্র ঘুম থেকে উঠেছি। এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।

রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের কারণ হিসেবে মনের অমিল হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজখবর না নেয়া, মানসিক অশান্তির কথা উল্লেখ্য করেন পরীমণি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here