Home দেশের খবর ঢাকা ভিপি নূরের ১৫ অনুসারীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিরুদ্ধে

ভিপি নূরের ১৫ অনুসারীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিরুদ্ধে

0
101

নজর২৪ ডেস্ক- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরকে না পেয়ে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ১৫ নেতাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

 

আজ বুধবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার সমেতপুর-বৈন্যাঘাট এলাকায় এই মারধরের ঘটনা ঘটে। খবর- দ্য ডেইলি স্টারের

 

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন শেখ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের সংগঠনের জেলা কমিটির সহসভাপতি আব্দুর রউফ পাঁচ মাস আগে ঢাকার পল্টনে মোদী বিরোধী আন্দোলন থেকে গ্রেপ্তার হয়। আজ সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সে জামিনে মুক্ত হয়। এ কারণে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি আসাদুল ইসলাম মুকুল ও আমাদের মানিকগঞ্জের বিভিন্ন কমিটির মোট ১৫ জন তাকে কারাগার গেটে অভ্যর্থনা জানাই।’

 

‘পরে, সেখান থেকে তাকে পৌঁছে দিতে আমরা সবাই একটি মাইক্রোবাস ও একটি প্রাইভেট কারযোগে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চারকাটারী এলাকায় তার বাড়িতে যাই। দুপুরে সেখানে পৌঁছানোর পর আমরা খাওয়া-দাওয়া শেষে তাকে রেখে ফেরার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে দৌলতপুর-মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সমেতপুর এলাকায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের গাড়ির গতিরোধ করে। সে সময় তারা গাড়িতে ভিপি নূর আছে কি না জানতে চায়। ভিপি নূরকে গাড়িতে না পেয়ে, তারা আমাদের মারধর করে।’

 

তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে তারা সবাই যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা। তবে, আমরা সবার নাম জানি না। আমরা এই হামলার নিন্দা জানাই। একটি স্বাধীন দেশে চলাফেরা করতে পারব না কেন?’

 

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেন, ‘হামলার কথা আমি শুনেছি। আমার অনুসারীদের মারধরের পর ছাত্রলীগের কর্মীরা তাদের কাছ থেকে মোবাইল, টাকা-পয়সা নিয়ে গেছে। আশা করব এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

 

জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কোরাইশী সুমন হামলার বিষয়ে বলেন, ‘এ হামলার বিষয়ে কিছু শুনি নাই। ছাত্রলীগ জড়িত থাকলেও আমার জানা নাই।’

 

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘ভিপি নূর ও তার অনুসারীদের আসার কথা শুনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতারা সমেতপুরের পাশে বৈন্যাঘাট এলাকায় তাদের গাড়ী আটকায়। গাড়িতে নূর সেখানে না থাকায়, তারা একটি গাড়ীর গ্লাস ভাঙে এবং তাদের ধাওয়া দেয়। এর বেশি কিছু হয়নি। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের পেয়েছি।’

 

‘তবে, কে কে হামলা করেছে, তা এখনও জানতে পারিনি,’ যোগ করেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here