Home ধর্ম ও জীবন পবিত্র কাবা শরীফের দরজার ডিজাইনার মারা গেছেন

পবিত্র কাবা শরীফের দরজার ডিজাইনার মারা গেছেন

0
137

ধর্ম ও জীবন ডেস্ক- পবিত্র কাবা শরীফের দরজার ডিজাইনার প্রকৌশলী মুনির সারি আল-জুনদি মারা গেছেন। সৌদি আরবের বাদশা খালিদ বিন আবদুল আজিজের শাসনামলে তিনি এই নকশার কাজ শেষ করেছিলেন।

 

প্রকৌশলী মুনির সারি আল-জুনদির মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ টুডে। সৌদি নাগরিক ও ভূতত্ত্ববিদ বদর বাদরাহ আল-জুনদির মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে জানিয়েছেন।

 

জানা গেছে, শনিবার দক্ষিণ জার্মানিতে আল-জুনদি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

 

১৩৯৭ হিজরি / ১৯৭০ সালে সৌদির তৎকালীন বাদশাহ খালেদ বিন আবদুল আজিজ পবিত্র কাবা ঘরে নামাজ আদায়ের পর কাবা ঘরের জন্য খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে একটি দরজা নির্মাণ করতে বলেন। দরজা নকশার জন্য প্রকৌশলি মুনির আল জুনদিকে নির্বাচন করা হয়।

 

প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি সিরিয়ার হেমস শহরে জন্মগ্রহণ করেন। নকশাকার হিসেব পবিত্র কাবার দরজার ওপর তাঁর নাম লেখা আছে। সিদ্ধান্ত মতে দরজার নকশাটি জার্মানে প্রস্তুত করা হয়।

 

 

তবে সৌদি সরকারের নির্দেশনা মতে নকশার কাজ অবশ্যই কোনো মুসলিম প্রকৌশলিকে করতে হবে, যেন তার নাম দরজা লিখে রাখা যায়। অবশেষে প্রকৌশলি মুনির কাবার দরজা নকশা করার মহান দায়িত্ব পান। অতঃপর দরজা নকশার কাজে মক্কার ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণাকার মাহমুদ বদরের কারখানায় কাজ শুরু হয়।

 

সৌদির ইতিহাস বিশেষজ্ঞ মানসুর আল আসসাফ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ পবিত্র কাবার দরজা নির্মাণের দায়িত্ব মক্কার আলে বদর পরিবারের ওপর অর্পণ করেন। প্রায় দেড় বছরের মধ্যে দরজার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।’

 

তিনি আরো লিখেন, ‘অতঃপর ১৩৯৮ হিজরিতে বাদশাহ খালেদ বিন আবদুল আজিজ আহমদ বিন বদরকে খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে পুনরায় দরজা নির্মাণ করতে বলেন। ওই সময় তা প্রকৌশলি মুনির নকশা করেন। দরজার দৈর্ঘ তিন মিটার ও প্রস্থ দুই মিটার। এবং পুরত্ব প্রায় অর্ধ মিটার। থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ম্যাকা কাঠ দিয়ে দরজাটি তৈরি করা হয়। তা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কাঠ বলে স্বীকৃত।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here