Home প্রধান খবর ৬ বছর পলাতক থাকার পর আত্মসমর্পণ করলেন টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তি

৬ বছর পলাতক থাকার পর আত্মসমর্পণ করলেন টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তি

0
126

নজর২৪ ডেস্ক- টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় ছয় বছর পলাতক থাকার পর সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি আজ বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। সহিদুর এই মামলার প্রধান আসামি সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই।

 

সহিদুর তাঁর বাবা সাংসদ আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার সঙ্গে বেলা পৌনে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ঢোকেন। সেখানে আত্মসমর্পণ করে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন।

 

এ সময় আদালতে উপস্থিত হয়ে নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী ও মামলার বাদী নাহার আহমেদ ন্যায়বিচারের স্বার্থে সহিদুরকে জামিন না দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি অনুরোধ করেন। শুনানি শেষে বিচারক সিকান্দার জুলকান নাইন দুপুরের পর আদেশ দেবেন বলে জানান।

 

পরে সহিদুর পুলিশি হেফাজতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দুপুরের পর এই মামলার শুনানি হবে বলে টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানিয়েছেন।

 

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

 

তদন্তে নেমে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের জবানবন্দিতে এ হত্যাকাণ্ডে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা এবং তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার তথ্য বেরিয়ে আসে। এরপর আমানুর ও তাঁর ভাইয়েরা আত্মগোপনে চলে যান।

 

২২ মাস পলাতক থাকার পর আমানুর রহমান খান রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় দুই বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে এসেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here